ঢাকা ০৫:১৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ১৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

স্মৃতিসৌধের পরিদর্শন বইতে যা লিখলেন নতুন প্রধানমন্ত্রী

আব্দুল হাসিব
  • আপডেট সময় : ০৯:১৫:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ৮২ বার দেখা হয়েছে

জাতীয় স্মৃতিসৌধে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মন্ত্রিসভার সদস্যরাও ছিলেন সেখানে। শ্রদ্ধা নিবেদন করে পরিদর্শন বইতে নিরাপদ, মানবিক, গণতান্ত্রিক ও স্বাধীন সার্বভৌমত্বের দেশ গড়ার যে আকাঙ্ক্ষা শহীদদের ছিল, তা প্রতিষ্ঠায় কাজ শুরু করেছেন বলে জানান তারেক রহমান। আজ বুধবার সকাল ১০টা ৫৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্মৃতিসৌধে প্রবেশ করেন।

পদবীর ঘরে ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার’ উল্লেখ করে তারেক রহমান লিখেন- ফ্যাসিবাদী শাসন শোষণের পর একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্রকামী জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হয়ে দেশের জনগণ গণতন্ত্রের পথে নতুন যাত্রা শুরু করেছে। আলহামদুলিল্লাহ। আমি আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া জানাই।
তারেক রহমান আরো লিখেন, বাংলাদেশের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নবগঠিত মন্ত্রিসভাসহ আমি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন করছি যাদের আত্মত্যাগে আমাদের স্বাধীন বাংলাদেশ। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা অর্জনের যুদ্ধ থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা রক্ষার যুদ্ধসহ দেশের ইতিহাসে এ যাবৎ কালে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনের সকল শহীদদের প্রতিও আমি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি।
বইতে তিনি বলেন, আমি এবং আমরা বিশ্বাস করি শহীদদের আকাঙ্ক্ষা ছিল একটি নিরাপদ মানবিক গণতান্ত্রিক স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা। শহীদদের আকাঙ্ক্ষার বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্যই আমরা কাজ শুরু করেছি। আল্লাহ যেন আমাদের জনগণের সামনে ঘোষিত প্রতিটি কর্মসূচি বাস্তবায়নের তৌফিক দান করুন। আমি আবারও আল্লাহর দরবারে সকল শহীদদের মাগফিরাত কামনা করছি।

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে স্মৃতিসৌধের শহীদ বেদিতে শহীদদের প্রতি পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি সম্মান জানিয়ে কিছু সময় সেখানে নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন প্রধানমন্ত্রী। পরে নবগঠিত মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিয়ে আরেকবার ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। এরপর তিনি পরিদর্শন বইয়ে সই করেন। স্মৃতিসৌধ চত্বরে তিনি পারিজাত গাছের চারা রোপণ করেন।

ট্যাগস:

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

স্মৃতিসৌধের পরিদর্শন বইতে যা লিখলেন নতুন প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৯:১৫:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

জাতীয় স্মৃতিসৌধে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মন্ত্রিসভার সদস্যরাও ছিলেন সেখানে। শ্রদ্ধা নিবেদন করে পরিদর্শন বইতে নিরাপদ, মানবিক, গণতান্ত্রিক ও স্বাধীন সার্বভৌমত্বের দেশ গড়ার যে আকাঙ্ক্ষা শহীদদের ছিল, তা প্রতিষ্ঠায় কাজ শুরু করেছেন বলে জানান তারেক রহমান। আজ বুধবার সকাল ১০টা ৫৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্মৃতিসৌধে প্রবেশ করেন।

পদবীর ঘরে ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার’ উল্লেখ করে তারেক রহমান লিখেন- ফ্যাসিবাদী শাসন শোষণের পর একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্রকামী জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হয়ে দেশের জনগণ গণতন্ত্রের পথে নতুন যাত্রা শুরু করেছে। আলহামদুলিল্লাহ। আমি আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া জানাই।
তারেক রহমান আরো লিখেন, বাংলাদেশের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নবগঠিত মন্ত্রিসভাসহ আমি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন করছি যাদের আত্মত্যাগে আমাদের স্বাধীন বাংলাদেশ। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা অর্জনের যুদ্ধ থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা রক্ষার যুদ্ধসহ দেশের ইতিহাসে এ যাবৎ কালে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনের সকল শহীদদের প্রতিও আমি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি।
বইতে তিনি বলেন, আমি এবং আমরা বিশ্বাস করি শহীদদের আকাঙ্ক্ষা ছিল একটি নিরাপদ মানবিক গণতান্ত্রিক স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা। শহীদদের আকাঙ্ক্ষার বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্যই আমরা কাজ শুরু করেছি। আল্লাহ যেন আমাদের জনগণের সামনে ঘোষিত প্রতিটি কর্মসূচি বাস্তবায়নের তৌফিক দান করুন। আমি আবারও আল্লাহর দরবারে সকল শহীদদের মাগফিরাত কামনা করছি।

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে স্মৃতিসৌধের শহীদ বেদিতে শহীদদের প্রতি পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি সম্মান জানিয়ে কিছু সময় সেখানে নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন প্রধানমন্ত্রী। পরে নবগঠিত মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিয়ে আরেকবার ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। এরপর তিনি পরিদর্শন বইয়ে সই করেন। স্মৃতিসৌধ চত্বরে তিনি পারিজাত গাছের চারা রোপণ করেন।