ঢাকা ০৫:২২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ১৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

হঠাৎ অব্যাহতি ও পদাবনতি নিয়ে ঢাকা ওয়াসায় কর্মরত আউটসোর্সিং কর্মীদের সংবাদ সম্মেলন

Foysal Ahmed
  • আপডেট সময় : ০১:০৩:৩৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ২৪৬ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক:
ঢাকা ওয়াসা-তে আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে বিলিং সহকারী হিসেবে কর্মরত চাকুরীচ্যুত ও পদাবনতি পাওয়া কর্মীরা হঠাৎ নেওয়া সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তারা জানান, নিষ্ঠা ও অভিজ্ঞতার সঙ্গে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করে আসলেও কোনো লিখিত নোটিশ, কারণ দর্শানোর সুযোগ কিংবা আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়েই হঠাৎ একটি ফোন কলের মাধ্যমে প্রায় ৪২ জন কর্মীকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। একই সঙ্গে আরও ৩৯ জন কর্মীকে পদাবনতি করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়।
বক্তব্যে আরও বলা হয়, পরবর্তীতে তারা জানতে পারেন যে, একই সময়ে নতুন করে প্রায় ৮৫ জনকে আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় উল্লেখযোগ্য অঙ্কের অর্থ লেনদেন হয়েছে। বিষয়টি সত্য হলে তা গুরুতর প্রশাসনিক অনিয়ম ও দুর্নীতির ইঙ্গিত বহন করে বলে মন্তব্য করেন তারা।
এ অবস্থায় সংবাদ সম্মেলন থেকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে চার দফা দাবি তুলে ধরা হয়। দাবিগুলো হলো—
১) অব্যাহতি ও পদাবনতি বিষয়ে ন্যায়সংগত পুনর্বিবেচনা,
২) নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্ত,
৩) অর্থ লেনদেন সংক্রান্ত অভিযোগের স্বাধীন অনুসন্ধান,
৪) প্রমাণিত অনিয়মের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ।
চাকুরীচ্যুত কর্মীরা বলেন, তাদের একমাত্র দাবি হলো— স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং ন্যায়সঙ্গত প্রশাসনিক প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা।

ট্যাগস:

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

হঠাৎ অব্যাহতি ও পদাবনতি নিয়ে ঢাকা ওয়াসায় কর্মরত আউটসোর্সিং কর্মীদের সংবাদ সম্মেলন

আপডেট সময় : ০১:০৩:৩৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক:
ঢাকা ওয়াসা-তে আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে বিলিং সহকারী হিসেবে কর্মরত চাকুরীচ্যুত ও পদাবনতি পাওয়া কর্মীরা হঠাৎ নেওয়া সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তারা জানান, নিষ্ঠা ও অভিজ্ঞতার সঙ্গে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করে আসলেও কোনো লিখিত নোটিশ, কারণ দর্শানোর সুযোগ কিংবা আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়েই হঠাৎ একটি ফোন কলের মাধ্যমে প্রায় ৪২ জন কর্মীকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। একই সঙ্গে আরও ৩৯ জন কর্মীকে পদাবনতি করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়।
বক্তব্যে আরও বলা হয়, পরবর্তীতে তারা জানতে পারেন যে, একই সময়ে নতুন করে প্রায় ৮৫ জনকে আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় উল্লেখযোগ্য অঙ্কের অর্থ লেনদেন হয়েছে। বিষয়টি সত্য হলে তা গুরুতর প্রশাসনিক অনিয়ম ও দুর্নীতির ইঙ্গিত বহন করে বলে মন্তব্য করেন তারা।
এ অবস্থায় সংবাদ সম্মেলন থেকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে চার দফা দাবি তুলে ধরা হয়। দাবিগুলো হলো—
১) অব্যাহতি ও পদাবনতি বিষয়ে ন্যায়সংগত পুনর্বিবেচনা,
২) নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্ত,
৩) অর্থ লেনদেন সংক্রান্ত অভিযোগের স্বাধীন অনুসন্ধান,
৪) প্রমাণিত অনিয়মের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ।
চাকুরীচ্যুত কর্মীরা বলেন, তাদের একমাত্র দাবি হলো— স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং ন্যায়সঙ্গত প্রশাসনিক প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা।