কক্সবাজারে জুলাইযোদ্ধা ও ছাত্রদল নেতার মৃত্যু, নারী সমন্বয়ক হেফাজতে
- আপডেট সময় : ১১:৪৫:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬
- / ২১ বার দেখা হয়েছে
কক্সবাজারের সমুদ্রসৈকতে ছুরিকাঘাতে খোরশেদ আলম (৩০) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। নিহত খোরশেদ সম্মুখসারির জুলাইযোদ্ধা এবং ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তার বাড়ি কক্সবাজার শহরের পাহাড়তলী এলাকায়।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীর তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০ টার দিকে খোরশেদ কবিতা চত্বর পয়েন্টে পৌঁছান। এক নারী জুলাইযোদ্ধা তারিন খোরশেদের পরিচিতজনদের ফোন করে জানান, তাকে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে এবং দ্রুত হাসপাতালে নেয়ার আহ্বান জানান। স্বজনরা হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই আশপাশের কয়েকজন তরুণ খোরশেদকে উদ্ধার করে। হাসপাতালে পৌঁছার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
খোরশেদের মৃত্যু খবর ছড়িয়ে পড়ার পরই শহরের রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে শোকের ছায়া নেমে আসে। ছাত্রদলসহ বিভিন্ন সংগঠন মধ্যরাতে বিক্ষোভ মিছিল বের করে, তারা ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান।
পুলিশ হেফাজতে থাকা তারিন জানান, কয়েকদিন ধরে খোরশেদের সঙ্গে তার যোগাযোগ হয়নি। মঙ্গলবার রাতে খোরশেদ ফোন করার পর তারা একসাথে কবিতা চত্বর যান। সেখানে কথা বলার সময় হঠাৎ দুইজন যুবক এসে খোরশেদকে ছুরি ধরে টাকা ও মানিব্যাগ দাদি করে। এক পর্যায়ে তারা বলেন আরিফকে কেন ছুরি মেরেছিস একথা বলেই খোরশেদকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায় তারা। তারিন এই দুই যুবকের পরিচয় সনাক্ত করতে পারেননি।
তারিনের তথ্য অনুযায়ী, আরিফ শহরের বাহারছড়া এলাকার বাসিন্দা। তার বিরুদ্ধে ছিনতাই, কিশোর গ্যাং কালচারসহ বিভিন্ন অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। গত ৫ মার্চ কলাতলীতে ছাত্রদলের একটি গ্রুপের সঙ্গে আরিফ গ্রুপের সংঘর্ষে উভয়পক্ষের কয়েকজন আহত হন।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি (তদন্ত) হিমেল রায় জানান, ঘটনার স্থল থেকে বেশ কিছু আলামত জব্দ করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং আসামীদের গ্রেপ্তারে তৎপরতা শুরু করেছে।



















