ঢাকা ০৫:১৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ১৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভুয়া এলসি দেখিয়ে ১০ কোটি ৯ লাখ ১২ হাজার ৫০০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

Foysal Ahmed
  • আপডেট সময় : ০৮:৩৫:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ১০৩ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক:
ভুয়া এলসি (লেটার অব ক্রেডিট) প্রদর্শনের মাধ্যমে কোটি টাকা আত্মসাতের একটি গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, সালমান এফ রহমান-এর ঘনিষ্ঠ পরিচয়ের দাবি করে যোগী ফারজানা ইয়াসমিন নীলা নামের এক নারী প্রতারণার জাল বিস্তার করেন।
ভুক্তভোগীদের দাবি, গত ৫ আগস্টের পর মেসার্স এ টু ট্রেডিং-এর কর্ণধার মো. আনিসুর রহমান খান বিভিন্ন ব্যবসায়িক লেনদেনের সময় নিজেকে প্রধান উপদেষ্টা ডা. মুহাম্মদ ইউনুস-এর ব্যবসায়িক পার্টনার হিসেবে পরিচয় দিতেন। এ পরিচয়ের আড়ালে বিশ্বাস অর্জন করে ভুয়া এলসি দেখিয়ে বিপুল অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নেওয়া হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়, যোগী ফারজানা ইয়াসমিন নীলার স্বামী প্রিমিয়ার ব্যাংকের সাবেক এমডি এম. মজিদ—এই পরিচয় ব্যবহার করে সংশ্লিষ্টদের আস্থা অর্জন করা হয়। পরে ভুয়া এলসি’র বিপরীতে পণ্য সরবরাহের আশ্বাস দেওয়া হলেও বাস্তবে কোনো পণ্য প্রদান করা হয়নি।
ভুক্তভোগীদের ভাষ্যমতে, এই প্রতারণার মাধ্যমে মোট ১০ কোটি ৯ লাখ ১২ হাজার ৫০০ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। দীর্ঘদিন যোগাযোগের চেষ্টা করেও অভিযুক্তদের কাছ থেকে কোনো সদুত্তর পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলে তারা মন্তব্য করতে রাজি হননি। এদিকে প্রতারণার শিকার ব্যবসায়ীরা আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছেন এবং দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

ট্যাগস:

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

ভুয়া এলসি দেখিয়ে ১০ কোটি ৯ লাখ ১২ হাজার ৫০০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৮:৩৫:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক:
ভুয়া এলসি (লেটার অব ক্রেডিট) প্রদর্শনের মাধ্যমে কোটি টাকা আত্মসাতের একটি গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, সালমান এফ রহমান-এর ঘনিষ্ঠ পরিচয়ের দাবি করে যোগী ফারজানা ইয়াসমিন নীলা নামের এক নারী প্রতারণার জাল বিস্তার করেন।
ভুক্তভোগীদের দাবি, গত ৫ আগস্টের পর মেসার্স এ টু ট্রেডিং-এর কর্ণধার মো. আনিসুর রহমান খান বিভিন্ন ব্যবসায়িক লেনদেনের সময় নিজেকে প্রধান উপদেষ্টা ডা. মুহাম্মদ ইউনুস-এর ব্যবসায়িক পার্টনার হিসেবে পরিচয় দিতেন। এ পরিচয়ের আড়ালে বিশ্বাস অর্জন করে ভুয়া এলসি দেখিয়ে বিপুল অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নেওয়া হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়, যোগী ফারজানা ইয়াসমিন নীলার স্বামী প্রিমিয়ার ব্যাংকের সাবেক এমডি এম. মজিদ—এই পরিচয় ব্যবহার করে সংশ্লিষ্টদের আস্থা অর্জন করা হয়। পরে ভুয়া এলসি’র বিপরীতে পণ্য সরবরাহের আশ্বাস দেওয়া হলেও বাস্তবে কোনো পণ্য প্রদান করা হয়নি।
ভুক্তভোগীদের ভাষ্যমতে, এই প্রতারণার মাধ্যমে মোট ১০ কোটি ৯ লাখ ১২ হাজার ৫০০ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। দীর্ঘদিন যোগাযোগের চেষ্টা করেও অভিযুক্তদের কাছ থেকে কোনো সদুত্তর পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলে তারা মন্তব্য করতে রাজি হননি। এদিকে প্রতারণার শিকার ব্যবসায়ীরা আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছেন এবং দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।