ঢাকা ০৭:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ :
টুঙ্গিপাড়ায় জাপানে চাকরির প্রলোভনে ১৬ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, আদালতে মামলা দায়ের যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জাতীয়তাবাদী চালক দলের শুভেচ্ছা যুবদলের গৌরবময় পথচলার ৪৮ বছর: শুভেচ্ছা জানালেন ছাত্রদল নেতা- তপন জাজিরা থানা পুলিশের অভিযানে VARDS-এর সহযোগিতায় গাজীপুর থেকে সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার তারারদেশ লিমিটেড পরিদর্শনে মালয়েশিয়ার প্রতিনিধি দল ‎ শিশু কল্যাণ পরিষদে চালক দলের সভা; জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানে নিহত ও আহত চালক পরিবারের মাঝে অনুদান বিতরণ চাকমারকুল ইউপি নির্বাচনে নতুন সমীকরণ? চেয়ারম্যান পদে আলোচনার কেন্দ্রে আবুবক্কর সিদ্দিক মাসুক ফকিরাপুলে সন্ত্রাসী তাণ্ডব ​মাদকের ‘সুবিধা’ না দেওয়ায় হোটেলে হামলা, মালিকসহ রক্তাক্ত ৪ পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর পার্বত্য মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী: ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ সকল জাতিগোষ্ঠীকে জাতীয় মূলধারায় সম্পৃক্ত করার ঐতিহাসিক ভিত্তি

গত দুই দিনে ৯৪ জন চাঁদাবাজকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তদবিরে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

আব্দুল হাসিব
  • আপডেট সময় : ১০:৫৮:৫৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬
  • / ১৩৭ বার দেখা হয়েছে
ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)-এর ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার জানিয়েছেন, গত দুই দিনে তালিকাভুক্তসহ মোট ৯৪ জন চাঁদাবাজকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং কোনো ধরনের তদবিরে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। রোববার (৩ মে) ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, কেউ যদি চাঁদাবাজদের পক্ষে তদবির করেন, তবে তাকেও ওই চক্রের সদস্য হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান চালানো হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি জানান, গ্রেপ্তারদের মধ্যে ৫৮ জন তালিকাভুক্ত। অভিযানে চাঁদাবাজির বিভিন্ন আলামতও জব্দ করা হয়েছে। তার ভাষ্য, চাঁদাবাজ যে-ই হোক, তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।
তিনি আরও জানান, অন্যান্য অপরাধ দমনে সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ সময় বেশ কয়েকজন ছিনতাইকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং সাম্প্রতিক ছিনতাইয়ের ঘটনাগুলো শনাক্ত করা হয়েছে। বর্তমানে শীর্ষ সন্ত্রাসীরা ততটা সক্রিয় না থাকলেও, কিছু ব্যক্তি তাদের নাম ব্যবহার করে অপরাধ চালিয়ে যাচ্ছে।
সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক ভেঙে দিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করছে জানিয়ে তিনি বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে ব্লক রেইড চালিয়ে অপরাধীদের পালানোর পথ বন্ধ করা হচ্ছে। আটটি বিভাগের ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে কাজ করছেন এবং মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হচ্ছে। পাশাপাশি অনলাইনেও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, হটস্পট চিহ্নিত করে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে এবং অনলাইন প্রতারণায় জড়িতদেরও গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। জনবহুল এলাকা ও বাজারে পুলিশি টহল বাড়ানো হয়েছে। অপরাধপ্রবণ এলাকায় নতুন পুলিশ ক্যাম্প স্থাপন ও সিসিটিভি ক্যামেরা বসানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মোহাম্মদপুরে রায়েরবাজার থানা স্থাপনের প্রস্তাব স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।
এছাড়া, পুলিশের কেউ যদি অভিযানের তথ্য ফাঁস করে, তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সতর্ক করেন তিনি। সিটি করপোরেশনের ফুটপাত সীমানা নির্ধারণের ফলে চাঁদাবাজির সুযোগ কমেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
ট্যাগস:

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

গত দুই দিনে ৯৪ জন চাঁদাবাজকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তদবিরে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

আপডেট সময় : ১০:৫৮:৫৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬
ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)-এর ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার জানিয়েছেন, গত দুই দিনে তালিকাভুক্তসহ মোট ৯৪ জন চাঁদাবাজকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং কোনো ধরনের তদবিরে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। রোববার (৩ মে) ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, কেউ যদি চাঁদাবাজদের পক্ষে তদবির করেন, তবে তাকেও ওই চক্রের সদস্য হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান চালানো হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি জানান, গ্রেপ্তারদের মধ্যে ৫৮ জন তালিকাভুক্ত। অভিযানে চাঁদাবাজির বিভিন্ন আলামতও জব্দ করা হয়েছে। তার ভাষ্য, চাঁদাবাজ যে-ই হোক, তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।
তিনি আরও জানান, অন্যান্য অপরাধ দমনে সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ সময় বেশ কয়েকজন ছিনতাইকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং সাম্প্রতিক ছিনতাইয়ের ঘটনাগুলো শনাক্ত করা হয়েছে। বর্তমানে শীর্ষ সন্ত্রাসীরা ততটা সক্রিয় না থাকলেও, কিছু ব্যক্তি তাদের নাম ব্যবহার করে অপরাধ চালিয়ে যাচ্ছে।
সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক ভেঙে দিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করছে জানিয়ে তিনি বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে ব্লক রেইড চালিয়ে অপরাধীদের পালানোর পথ বন্ধ করা হচ্ছে। আটটি বিভাগের ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে কাজ করছেন এবং মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হচ্ছে। পাশাপাশি অনলাইনেও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, হটস্পট চিহ্নিত করে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে এবং অনলাইন প্রতারণায় জড়িতদেরও গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। জনবহুল এলাকা ও বাজারে পুলিশি টহল বাড়ানো হয়েছে। অপরাধপ্রবণ এলাকায় নতুন পুলিশ ক্যাম্প স্থাপন ও সিসিটিভি ক্যামেরা বসানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মোহাম্মদপুরে রায়েরবাজার থানা স্থাপনের প্রস্তাব স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।
এছাড়া, পুলিশের কেউ যদি অভিযানের তথ্য ফাঁস করে, তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সতর্ক করেন তিনি। সিটি করপোরেশনের ফুটপাত সীমানা নির্ধারণের ফলে চাঁদাবাজির সুযোগ কমেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।