কড়া নিরাপত্তায় আল-আকসা মসজিদে জুমার নামাজ আদায়
- আপডেট সময় : ০৮:১১:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
- / ৫৬ বার দেখা হয়েছে
কড়া নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে আল-আকসা মসজিদে কয়েক হাজার মুসুল্লি পবিত্র রমজান মাসের প্রথম জুমার নামাজ আদায় করেছেন। এর মধ্যে পশ্চিম তীর থেকে ইসরায়েলে প্রবেশকারী ফিলিস্তিনিরাও ছিলেন।
গত বছরের অক্টোবরে ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে তথাকথিত যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হওয়ার পর প্রথমবারের মতো আল-আকসায় জুমার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত বছরের রমজানের পর থেকে এটিই ছিল প্রথম সুযোগ যখন অনেককে পশ্চিম তীর ছেড়ে জেরুজালেমের পুরাতন শহরের স্থানে নামাজ নামাজ আদায় করতেন।
পবিত্র রমজান মাসে পূর্ব জেরুজালেমের আল-আকসা মসজিদে জুমার দিনে ১০ হাজার ফিলিস্তিন মুসুল্লিকে নামাজ আদায়ের অনুমতি দিয়েছে ইসরায়েল। দ্য টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বছরের মানদণ্ডের ভিত্তিতে শুধু ৫৫ বছর বা তার বেশি বয়সী পুরুষ, ৫০ বছর বা তার বেশি বয়সী মহিলা এবং ১২ বছর বা তার কম বয়সী শিশুরা প্রথম-স্তরের আত্মীয়ের সঙ্গে আল-আকসায় নামাজে যোগ দিতে পারবেন। জেরুজালেমের টেম্পল মাউন্টে অবস্থিত ইসলামের তৃতীয় পবিত্রতম স্থান আল-আকসা মসজিদ।
ইসরায়েলি পুলিশ জানিয়েছে, জেরুজালেম জুড়ে ৩ হাজারের বেশি পুলিশ অফিসার মোতায়েন করা হয়েছিল। তারা বলেছে, তাদের উপস্থিতি আগ্রাসন বা বলপ্রয়োগ দেখানোর জন্য নয় বরং জরুরি পরিস্থিতিতে সাহায্য প্রদানের লক্ষ্যে ছিল।
জেরুজালেমের ইসলামিক ওয়াকফ জর্ডানের ধর্মীয় কর্তৃপক্ষ আল-আকসা মসজিদে প্রাঙ্গণটি পরিচালনা করে। তারা জানিয়েছে, স্বাভাবিক সময়ে আল-আকসায় রমজানে জুমার নামাজে ২ লাখ মুসুল্লি নামাজ আদায় করতে পারেন। ।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মতে, ইসরায়েলের সামরিক আক্রমণে ৭২ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন এবং ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ হয়েছে। এতে বেশিরভাগ বাসিন্দাকে বাস্তুচ্যুত করা হয়েছে। গত বছরের ১০ অক্টোবর মার্কিন-মধ্যস্থতাকৃত যুদ্ধবিরতি চুক্তি ইসরায়েল এবং হামাসের মধ্যে দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে চলমান যুদ্ধ থামানোর চেষ্টা করেছিল। যদিও যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে হামলা চালিয়ে আসছে দখলদার ইসরায়েল।























