ঢাকা ০৭:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ :
বিয়ের প্রলোভনে প্রতারণা, ধর্ষণ ও তথ্য গোপন করে বিয়ে: সংবাদ সম্মেলনে নারীর অভিযোগ মানব পাচার ও মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর নামে প্রতারণার অভিযোগে যশোরের হাসান, তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থার দাবি শিক্ষাব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তনে সরকার কাজ করছে — প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে নতুন নীতিমালা প্রণয়নের কাজ চলছে- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সৎ ও জনবান্ধব ইউএনও রাকিবুল হাসানের বদলির আদেশে রানীনগরে হতাশা, আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি মিথ্যা মামলায় ‘ঢাকা প্রতিদিন’-এর সাংবাদিক হাফিজুর রহমান শফিকের মুক্তির দাবিতে তেকসাসের মানববন্ধন ১৬৫ বছরের পুরোনো পুলিশ আইন: কতটা প্রস্তুত ২০২৬ সালের বাস্তবতায়? সংলাপ, সহনশীলতা, সংহতি ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের প্রতি বৈশ্বিক অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে বাংলাদেশের উত্থাপিত ‘শান্তি ও সহাবস্থানের সংস্কৃতি’-বিষয়ক ঘোষণা ও কর্মসূচির বাস্তবায়নের অগ্রগতি’ শীর্ষক প্রস্তাব গ্রহণ করেছে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ। শিক্ষার মান উন্নয়নে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করা এবং দ্রুত শূন্যপদ পূরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি জানান, দীর্ঘ ১০ বছর ধরে ঝুলে থাকা ৩২ হাজার প্রাথমিক শিক্ষকের পদোন্নতি সংক্রান্ত মামলার জটিলতা এখন সমাধানের পথে। এছাড়া বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের ( কুষ্টিয়া ও চুয়াডাঙ্গা সীমান্ত দিয়ে গত দুইদিনে মোট ১৩ জনকে বাংলাদেশে অবৈধভাবে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টার (পুশ-ইন) অভিযোগ উঠেছে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) বিরুদ্ধে।

পর্যটন নিরাপত্তায় দৃঢ় ও মানবিক নেতৃত্ব: অপপ্রচারের মাঝেও আস্থার প্রতীক অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ

Foysal Ahmed
  • আপডেট সময় : ০৮:৩০:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬
  • / ২৯৫ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক,
দেশের প্রধান পর্যটন নগরী কক্সবাজারে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন টুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ। এমন সময় তার বিরুদ্ধে একটি কুচক্রী মহল পরিকল্পিত অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, সমুদ্র সৈকত এলাকায় অবৈধ দখল ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট একটি চক্র নিজেদের উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে তাকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা করছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটন সংশ্লিষ্টদের মতে, কক্সবাজারে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, পর্যটকদের হয়রানি রোধ এবং নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে তিনি দৃঢ় ও কার্যকর ভূমিকা রেখে চলেছেন। বিশেষ করে সমুদ্র সৈকতে নিয়মিত টহল জোরদার, টুরিস্ট সহায়তা বুথ সক্রিয় রাখা, হারানো জিনিসপত্র উদ্ধার এবং অভিযোগের দ্রুত নিষ্পত্তি পর্যটকদের মাঝে আস্থা সৃষ্টি করেছে।
পর্যটন ব্যবসায়ীরা জানান, সাম্প্রতিক সময়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নতির ফলে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের কাছে কক্সবাজার আরও নিরাপদ গন্তব্য হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। এতে পর্যটন খাতে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। তাদের ভাষ্য, অবৈধ সুবিধা ও প্রভাব খাটানোর সুযোগ সীমিত হয়ে যাওয়ায় একটি স্বার্থান্বেষী মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে।
সাধারণ পর্যটকরাও সমুদ্র সৈকতে টুরিস্ট পুলিশের সক্রিয় উপস্থিতি ও তৎপরতায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। অনেকেই অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদের সরাসরি তদারকি, মানবিক আচরণ এবং দ্রুত পদক্ষেপের প্রশংসা করেছেন।
সংশ্লিষ্ট মহলের বক্তব্য, যে কোনো অভিযোগ থাকলে তা যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে নিরপেক্ষভাবে যাচাই হওয়া উচিত। তবে ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যমূলক অপপ্রচার শুধু একজন কর্মকর্তার সুনাম নয়, দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন কেন্দ্র কক্সবাজারের ভাবমূর্তিকেও ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।
পর্যটন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে টুরিস্ট পুলিশের চলমান কার্যক্রম আরও শক্তিশালী ও সমন্বিত করা হবে বলে জানা গেছে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, সত্য উদঘাটনের মাধ্যমে সব ধরনের বিভ্রান্তি দূর হবে এবং কক্সবাজারে নিরাপদ, স্বস্তিদায়ক ও আনন্দময় পর্যটন পরিবেশ বজায়থাকবে।

ট্যাগস:

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

পর্যটন নিরাপত্তায় দৃঢ় ও মানবিক নেতৃত্ব: অপপ্রচারের মাঝেও আস্থার প্রতীক অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ

আপডেট সময় : ০৮:৩০:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক,
দেশের প্রধান পর্যটন নগরী কক্সবাজারে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন টুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ। এমন সময় তার বিরুদ্ধে একটি কুচক্রী মহল পরিকল্পিত অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, সমুদ্র সৈকত এলাকায় অবৈধ দখল ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট একটি চক্র নিজেদের উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে তাকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা করছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটন সংশ্লিষ্টদের মতে, কক্সবাজারে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, পর্যটকদের হয়রানি রোধ এবং নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে তিনি দৃঢ় ও কার্যকর ভূমিকা রেখে চলেছেন। বিশেষ করে সমুদ্র সৈকতে নিয়মিত টহল জোরদার, টুরিস্ট সহায়তা বুথ সক্রিয় রাখা, হারানো জিনিসপত্র উদ্ধার এবং অভিযোগের দ্রুত নিষ্পত্তি পর্যটকদের মাঝে আস্থা সৃষ্টি করেছে।
পর্যটন ব্যবসায়ীরা জানান, সাম্প্রতিক সময়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নতির ফলে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের কাছে কক্সবাজার আরও নিরাপদ গন্তব্য হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। এতে পর্যটন খাতে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। তাদের ভাষ্য, অবৈধ সুবিধা ও প্রভাব খাটানোর সুযোগ সীমিত হয়ে যাওয়ায় একটি স্বার্থান্বেষী মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে।
সাধারণ পর্যটকরাও সমুদ্র সৈকতে টুরিস্ট পুলিশের সক্রিয় উপস্থিতি ও তৎপরতায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। অনেকেই অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদের সরাসরি তদারকি, মানবিক আচরণ এবং দ্রুত পদক্ষেপের প্রশংসা করেছেন।
সংশ্লিষ্ট মহলের বক্তব্য, যে কোনো অভিযোগ থাকলে তা যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে নিরপেক্ষভাবে যাচাই হওয়া উচিত। তবে ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যমূলক অপপ্রচার শুধু একজন কর্মকর্তার সুনাম নয়, দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন কেন্দ্র কক্সবাজারের ভাবমূর্তিকেও ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।
পর্যটন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে টুরিস্ট পুলিশের চলমান কার্যক্রম আরও শক্তিশালী ও সমন্বিত করা হবে বলে জানা গেছে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, সত্য উদঘাটনের মাধ্যমে সব ধরনের বিভ্রান্তি দূর হবে এবং কক্সবাজারে নিরাপদ, স্বস্তিদায়ক ও আনন্দময় পর্যটন পরিবেশ বজায়থাকবে।