ঢাকা ০৮:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ :
পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট সেলিম রেজা হাবিবকে সংবর্ধনা ও ফুলেল শুভেচ্ছা সচিবালয় মেট্রো স্টেশনে ৪ কেজি গাঁজাসহ নারী আটক ঢাকা জেলা চালকদলের সভাপতি হিসেবে রেজাউর রহমান সংগ্রাম দায়িত্ব গ্রহণ বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জাতীয়তাবাদী চালক দলের শ্রদ্ধা; গণতন্ত্রের সংগ্রামে ঐক্যবদ্ধ থাকার প্রত্যয় ঢাকা-৯ প্রেস টিমে নতুন মুখ: প্রভাষক সুমন প্রেস সেক্রেটারি, সাবেক ছাত্রদল নেতা মৃদুল সহকারী সেনা-নৌ-বিমান বা”হি”নী”র প্রধানদের সঙ্গে নিয়ে মহামান্য রাষ্ট্রপতি সা”ক্ষ”র করেন চাঁদপুরে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা: বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৩, আহত ১৫ আলিয়া শিবির সভাপতির দুঃখ প্রকাশ: প্রধানমন্ত্রীর নাম নিয়ে অনভিপ্রেত শব্দচয়ন ও হলের ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্তের দাবি কুমিল্লা বাইপাসে অবৈধ পার্কিংয়ের দৌরাত্ম্য: সড়ক দখলে নিত্য যানজট, চরম দুর্ভোগে হাজারো মানুষ স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা জাতীয়করণে জোরালো চাপ: রাষ্ট্রপতিসহ ১২৯ এমপির ডিও লেটার, দাবি পূরণ না হলে ফের লাগাতার কর্মসূচি

কণ্ঠশিল্পী জাহিদ অন্তু কারাগারে / নিজের সাথে হওয়া হেনস্তার বর্ণনা দিলেন ইডেনছাত্রী

আব্দুল হাসিব
  • আপডেট সময় : ১০:৪৬:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬
  • / ১৩৯ বার দেখা হয়েছে
ইডেন কলেজের ছাত্রী জান্নাতুল তাজরিয়া অরাকে যৌন নিপীড়নের মামলায় তরুণ গায়ক আবু জাহিদ ওরফে জাহিদ অন্তুকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বুধবার (১ এপ্রিল) তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসান শাহাদাত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
পরে সংবাদ সম্মেলন করে যৌন হেনস্তার বর্ণনা দেন জান্নাতুল তাজরিয়া অরা।
তিনি বলেন, আমার নাম জান্নাতুল তাজরিয়া অরা। আমি একজন অভিনেত্রী, পাশাপাশি স্টুডেন্ট। তার নাম আবু জাহিদ ওরফে জাহিদ অন্তু। আপনারা সবাই কমবেশি তাকে চেনেন। সে একজন গায়ক। তাছাড়া একজন তরুণ ব্যবসায়ীও বলতে পারেন। সে বেশকিছু প্রজেক্ট নিয়ে কাজ করছে। তার ড্রেসের এবং প্রোডাক্টের কিছু শুট হয়।
জান্নাতুল তাজরিয়া অরা বলেন, সম্প্রতি প্রোডাক্ট শুটের জন্য সে আমাকে নক করেছিল। বলেছিল যে প্রোডাক্ট শুট করার জন্য আপনি আমার বাসায় আসেন। কারণ তার বাসায় তার স্টুডিও, অফিস সব একসঙ্গে। সে অ্যাগ্রো ফরেস্ট নামের নতুন একটা প্রজেক্টে কাজ করছে। সঙ্গে তার পোশাকের ব্যবসাও আছে। সেই উদ্দেশে আমি তার বাসায় গিয়েছিলাম।
প্রোডাক্ট শুট করার জন্য গিয়েছিলাম। তারপরে কাজের পরিকল্পনা নিয়ে সে আর আমি রুমে বসেছিলাম। একটা পর্যায়ে সে বলল যে প্রোডাক্ট শুট তো ঠিক আছে, এখন তো ড্রেস আসেনি।
১০-১২ দিন লাগবে। এসব বলার পর সে আমার প্রতি ফিজিক্যাল হ্যারাসমেন্ট শুরু করল এবং সেটাকে বলতে পারেন যৌন নিপীড়ন বা যৌন অত্যাচার। আমি এটা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলাম। সেখান থেকে সে আমার উপরে অত্যাচার শুরু করল এবং আমাকে দেখতেই পারছেন যে কীভাবে জখম করা হয়েছে। সে বারবার আমার গলা চেপে ধরছিল বিছানার মধ্যে এবং দরজা বন্ধ করে আমাকে অনেকগুলো থাপ্পড় দিয়েছে, চুল ধরে টেনেছে। আমি বারবার ওখান থেকে পালিয়ে আসার চেষ্টা করেছি। কিন্তু সে বারবার দরজা বন্ধ করছিল এবং বারবার মারছিল বলে আমি এখান থেকে খুব সহজে বের হতে পারছিলাম না। তারপরও একটা সময় যে আমি কোনোভাবে ওখান থেকে বের হয়ে আসি।
ট্যাগস:

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

কণ্ঠশিল্পী জাহিদ অন্তু কারাগারে / নিজের সাথে হওয়া হেনস্তার বর্ণনা দিলেন ইডেনছাত্রী

আপডেট সময় : ১০:৪৬:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬
ইডেন কলেজের ছাত্রী জান্নাতুল তাজরিয়া অরাকে যৌন নিপীড়নের মামলায় তরুণ গায়ক আবু জাহিদ ওরফে জাহিদ অন্তুকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বুধবার (১ এপ্রিল) তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসান শাহাদাত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
পরে সংবাদ সম্মেলন করে যৌন হেনস্তার বর্ণনা দেন জান্নাতুল তাজরিয়া অরা।
তিনি বলেন, আমার নাম জান্নাতুল তাজরিয়া অরা। আমি একজন অভিনেত্রী, পাশাপাশি স্টুডেন্ট। তার নাম আবু জাহিদ ওরফে জাহিদ অন্তু। আপনারা সবাই কমবেশি তাকে চেনেন। সে একজন গায়ক। তাছাড়া একজন তরুণ ব্যবসায়ীও বলতে পারেন। সে বেশকিছু প্রজেক্ট নিয়ে কাজ করছে। তার ড্রেসের এবং প্রোডাক্টের কিছু শুট হয়।
জান্নাতুল তাজরিয়া অরা বলেন, সম্প্রতি প্রোডাক্ট শুটের জন্য সে আমাকে নক করেছিল। বলেছিল যে প্রোডাক্ট শুট করার জন্য আপনি আমার বাসায় আসেন। কারণ তার বাসায় তার স্টুডিও, অফিস সব একসঙ্গে। সে অ্যাগ্রো ফরেস্ট নামের নতুন একটা প্রজেক্টে কাজ করছে। সঙ্গে তার পোশাকের ব্যবসাও আছে। সেই উদ্দেশে আমি তার বাসায় গিয়েছিলাম।
প্রোডাক্ট শুট করার জন্য গিয়েছিলাম। তারপরে কাজের পরিকল্পনা নিয়ে সে আর আমি রুমে বসেছিলাম। একটা পর্যায়ে সে বলল যে প্রোডাক্ট শুট তো ঠিক আছে, এখন তো ড্রেস আসেনি।
১০-১২ দিন লাগবে। এসব বলার পর সে আমার প্রতি ফিজিক্যাল হ্যারাসমেন্ট শুরু করল এবং সেটাকে বলতে পারেন যৌন নিপীড়ন বা যৌন অত্যাচার। আমি এটা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলাম। সেখান থেকে সে আমার উপরে অত্যাচার শুরু করল এবং আমাকে দেখতেই পারছেন যে কীভাবে জখম করা হয়েছে। সে বারবার আমার গলা চেপে ধরছিল বিছানার মধ্যে এবং দরজা বন্ধ করে আমাকে অনেকগুলো থাপ্পড় দিয়েছে, চুল ধরে টেনেছে। আমি বারবার ওখান থেকে পালিয়ে আসার চেষ্টা করেছি। কিন্তু সে বারবার দরজা বন্ধ করছিল এবং বারবার মারছিল বলে আমি এখান থেকে খুব সহজে বের হতে পারছিলাম না। তারপরও একটা সময় যে আমি কোনোভাবে ওখান থেকে বের হয়ে আসি।