মতিঝিল আরামবাগে ‘প্রবাসী এক্সপ্রেস’-এর বিরুদ্ধে প্রতারণা ও হয়রানির অভিযোগ ।
- আপডেট সময় : ১০:৪১:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬
- / ৮৫ বার দেখা হয়েছে
ক্রাইম রিপোর্টার মোঃ হাসিবুল ইসলাম
জামানতের টাকা আত্মসাৎ, চাকরির প্রলোভনে প্রতারণা ও নানা অনিয়মের অভিযোগ; ভুক্তভোগী সুপারভাইজারদের প্রতিকার দাবি।
রাজধানীর মতিঝিল থানাধীন আরামবাগ থেকে পরিচালিত ঢাকা–কক্সবাজার রুটের দূরপাল্লার পরিবহন প্রবাসী এক্সপ্রেস-এর বিরুদ্ধে জামানতের নামে অর্থ আত্মসাৎ, চাকরি দেওয়ার প্রলোভনে প্রতারণা এবং কর্মীদের সঙ্গে নানা ধরনের হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগ করেছেন প্রতিষ্ঠানটির কয়েকজন সাবেক ও বর্তমান সুপারভাইজার বলে দাবি করা ভুক্তভোগীরা।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, চাকরিতে নিয়োগের সময় বিভিন্ন অঙ্কের জামানত নেওয়া হলেও পরবর্তীতে চাকরি ছেড়ে দিলে বা বরখাস্ত করা হলে সেই অর্থ ফেরত দেওয়া হয় না। পাশাপাশি নানা অজুহাতে কর্মীদের ওপর মানসিক চাপ সৃষ্টি করা হয় বলেও তারা দাবি করেন।
তাদের আরও অভিযোগ, প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কিছু চালক, হেলপার ও সুপারভাইজারের বিরুদ্ধে মাদক সেবনের অভিযোগ রয়েছে, যা যাত্রী ও অন্যান্য কর্মীদের নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
এছাড়া অভিযোগকারীদের দাবি, প্রতিষ্ঠানটি প্রয়োজনীয় বৈধ কাগজপত্র ও রুট পারমিট ছাড়াই পরিবহন পরিচালনা করছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ভুক্তভোগীদের দাবি
ভুক্তভোগী সুপারভাইজাররা সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে জামানতের অর্থ ফেরত এবং ক্ষতিগ্রস্ত কর্মীদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করারও আহ্বান জানান তারা।
যাত্রীদের জন্য সতর্কবার্তা
অভিযোগকারীদের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলো তদন্তাধীন। তাই যাত্রীদের ভ্রমণের আগে সংশ্লিষ্ট পরিবহনের বৈধতা, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং প্রয়োজনীয় অনুমোদনের বিষয়টি যাচাই করে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।
উল্লেখ্য, উপরোক্ত সব অভিযোগ অভিযোগকারীদের বক্তব্যের ভিত্তিতে উপস্থাপিত হয়েছে। এ বিষয়ে প্রবাসী এক্সপ্রেস কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করা হবে।














