রাজধানীর ওয়ারী এলাকার সন্ত্রাসী ও অস্ত্র-মাদক চক্রের কথিত গডফাদার ইসমাইল হোসেন ওরফে সজল ওরফে ‘অটো সজল’সহ তাঁর তিন সহযোগীকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) যাত্রাবাড়ী থানা-পুলিশ।
- আপডেট সময় : ০৪:৩৫:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
- / ২৮ বার দেখা হয়েছে
এসময় তাঁদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র, গুলি ও মাদক উদ্ধার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার অন্যরা হলেন মো. বাপ্পী (২৮), মো. হানিফ (৪০) ও মোছা. শামসুন্নাহার (৪৫)।
আজ শুক্রবার সকালে ডিএমপি সদর দপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) এস এন নজরুল ইসলাম এ তথ্য জানান।
পুলিশ জানায়, ২ মার্চ মাদক উদ্ধার ও অপরাধী গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে পরিচালিত একটি বিশেষ অভিযানের সময় তিন-চারজন অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্ত মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের এক পরিদর্শককে গুলি করে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় ওয়ারী থানায় একটি মামলা করা হয়।
মামলার তদন্তে প্রথমে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তাঁদের কাছ থেকে তিনটি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। পরে তাঁরা আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। জবানবন্দিতে তাঁরা জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তার ওপর হামলায় ব্যবহৃত অস্ত্র সরবরাহ করেছিলেন অটো সজল।
এর পর থেকেই তাঁকে গ্রেপ্তারে ওয়ারী বিভাগের বিভিন্ন থানা-পুলিশ ধারাবাহিক অভিযান চালাতে থাকে।
এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সায়েদাবাদ এলাকায় অভিযান চালিয়ে অটো সজলকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ জানায়, তাঁর বিরুদ্ধে ডিএমপির বিভিন্ন থানায় ১১টি মামলা রয়েছে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সজল স্বীকার করেন, গেন্ডারিয়া থানার স্বামীবাগ এলাকায় তাঁর ভাড়া বাসায় অস্ত্র ও মাদক মজুত রয়েছে। পরে ওই বাসায় অভিযান চালিয়ে তাঁর তিন সহযোগীকে গ্রেপ্তার করা হয়।
অভিযানে দুটি মার্কিন ‘TAURUS’ ব্র্যান্ডের পিস্তল, চারটি ম্যাগাজিন, ৭৭টি তাজা গুলি, ৫৯ গ্রাম হেরোইন, হেরোইন প্রস্তুতে ব্যবহৃত ৮৭ গ্রাম ‘মেডি’, মাদক বিক্রির ২২ হাজার ৯৬০ টাকা এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত চারটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।






















