ঢাকা ০৭:৪৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ :
বিয়ের প্রলোভনে প্রতারণা, ধর্ষণ ও তথ্য গোপন করে বিয়ে: সংবাদ সম্মেলনে নারীর অভিযোগ মানব পাচার ও মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর নামে প্রতারণার অভিযোগে যশোরের হাসান, তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থার দাবি শিক্ষাব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তনে সরকার কাজ করছে — প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে নতুন নীতিমালা প্রণয়নের কাজ চলছে- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সৎ ও জনবান্ধব ইউএনও রাকিবুল হাসানের বদলির আদেশে রানীনগরে হতাশা, আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি মিথ্যা মামলায় ‘ঢাকা প্রতিদিন’-এর সাংবাদিক হাফিজুর রহমান শফিকের মুক্তির দাবিতে তেকসাসের মানববন্ধন ১৬৫ বছরের পুরোনো পুলিশ আইন: কতটা প্রস্তুত ২০২৬ সালের বাস্তবতায়? সংলাপ, সহনশীলতা, সংহতি ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের প্রতি বৈশ্বিক অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে বাংলাদেশের উত্থাপিত ‘শান্তি ও সহাবস্থানের সংস্কৃতি’-বিষয়ক ঘোষণা ও কর্মসূচির বাস্তবায়নের অগ্রগতি’ শীর্ষক প্রস্তাব গ্রহণ করেছে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ। শিক্ষার মান উন্নয়নে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করা এবং দ্রুত শূন্যপদ পূরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি জানান, দীর্ঘ ১০ বছর ধরে ঝুলে থাকা ৩২ হাজার প্রাথমিক শিক্ষকের পদোন্নতি সংক্রান্ত মামলার জটিলতা এখন সমাধানের পথে। এছাড়া বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের ( কুষ্টিয়া ও চুয়াডাঙ্গা সীমান্ত দিয়ে গত দুইদিনে মোট ১৩ জনকে বাংলাদেশে অবৈধভাবে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টার (পুশ-ইন) অভিযোগ উঠেছে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) বিরুদ্ধে।

বিরামপুরে শিক্ষা, কৃষি, সমাজকল্যাণ ও প্রতিবন্ধী সেবায় সহায়তার হাত বাড়ালেন মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এজেড এম জাহিদ হোসেন

আব্দুল হাসিব
  • আপডেট সময় : ০১:০৭:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬
  • / ৩১ বার দেখা হয়েছে

দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলা প্রাঙ্গণ ও উপজেলা পরিষদ মিলনায়তন যেন পরিণত হয় জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের এক মিলনমেলায়। শিক্ষা, কৃষি,সমাজকল্যাণ,প্রতিবন্ধী সেবা এবং দরিদ্র জনগোষ্ঠীর উন্নয়নকে কেন্দ্র করে একাধিক কর্মসূচির মাধ্যমে সরকারের বিভিন্ন সহায়তা সাধারণ মানুষের হাতে তুলে দেওয়া হয়।অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুর-৬ আসনের সংসদ সদস্য এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সমাজকল্যাণ ও মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী অধ্যাপক ডা.এজেড এম জাহিদ হোসেন। তাঁর উপস্থিতিতে উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষের মধ্যে সরকারি সহায়তা বিতরণ করা হয়,যা সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও ইতিবাচক সাড়া সৃষ্টি করে। দিনব্যাপী কর্মসূচিতে গরিব ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা সহায়তার অর্থের চেক বিতরণ করা হয়। অসহায় ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের চলাচলের সুবিধার্থে হুইলচেয়ার প্রদান করা হয়। উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের লক্ষ্যে খেলাধুলার সামগ্রী বিতরণ করা হয়। একই সঙ্গে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও পরিবেশ সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে কৃষক এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে চারা গাছ বিতরণ করা হয়। এছাড়া প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে উন্নতমানের বীজ ও কীটনাশক বিতরণ করা হয়,যাতে তারা আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহার করে অধিক উৎপাদন নিশ্চিত করতে পারেন। শিশুদের জন্যও বিশেষভাবে হুইল চেয়ার বিতরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়, যা সমাজের পিছিয়ে পড়া শিশুদের প্রতি সরকারের মানবিক দৃষ্টিভঙ্গিরই বহিঃপ্রকাশ। এদিন ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় তুলা ফসলের আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে কৃষি উপকরণ বিতরণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মোঃ রেজাউল আমিন,নির্বাহী পরিচালক,তুলা উন্নয়ন বোর্ড,তুলা ভবন,কৃষি খামার রোড, ফার্মগেট,ঢাকা। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মন্ত্রী অধ্যাপক ডা.এজেড এম জাহিদ হোসেন বলেন,সরকারের উন্নয়নের মূল লক্ষ্য হলো সমাজের প্রতিটি মানুষের কাছে সেবা পৌঁছে দেওয়া। দরিদ্র,মেধাবী শিক্ষার্থী, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি,নারী,শিশু এবং কৃষকদের উন্নয়ন নিশ্চিত না হলে একটি সমৃদ্ধ রাষ্ট্র গঠন সম্ভব নয়। তাই শিক্ষা,কৃষি ও সমাজকল্যাণকে সমন্বিত ভাবে এগিয়ে নিতে সরকার নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি আরও বলেন,কৃষিই বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান ভিত্তি। কৃষকদের উৎপাদন ব্যয় কমানো এবং উৎপাদন বৃদ্ধি নিশ্চিত করতে সরকার বিভিন্ন প্রণোদনা ও কৃষি সহায়তা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের শিক্ষা অব্যাহত রাখতে আর্থিক সহায়তা এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য বিশেষ সেবার পরিধিও ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি করা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা,জনপ্রতিনিধি,শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান,কৃষি বিভাগের কর্মকর্তাসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। বিশেষ বিশ্লেষণ ১৮ জুলাইয়ের এই কর্মসূচির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল একই দিনে শিক্ষা, কৃষি,সমাজকল্যাণ,প্রতিবন্ধী সেবা এবং পরিবেশ সংরক্ষণকে একসঙ্গে গুরুত্ব দিয়ে সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করা। এটি শুধু সহায়তা বিতরণের আনুষ্ঠানিকতা নয়; বরং সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির সমন্বিত উদ্যোগের প্রতিফলন।
বিশেষ করে মাননীয় মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এজেড এম জাহিদ হোসেনের উপস্থিতি ও সরাসরি তত্ত্বাবধানে এসব কর্মসূচি বাস্তবায়িত হওয়ায় উপকারভোগীদের মধ্যে আস্থা ও উৎসাহ বৃদ্ধি পেয়েছে। শিক্ষা সহায়তা থেকে শুরু করে কৃষি উপকরণ,প্রতিবন্ধীদের সহায়তা এবং ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ প্রতিটি উদ্যোগই জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্র পরিচালনার একটি বাস্তব উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। স্থানীয়দের মতে, এ ধরনের বহুমুখী উন্নয়ন কর্মসূচি নিয়মিত বাস্তবায়িত হলে শিক্ষার মানোন্নয়ন,কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, সামাজিক নিরাপত্তা জোরদার এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ট্যাগস:

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

বিরামপুরে শিক্ষা, কৃষি, সমাজকল্যাণ ও প্রতিবন্ধী সেবায় সহায়তার হাত বাড়ালেন মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এজেড এম জাহিদ হোসেন

আপডেট সময় : ০১:০৭:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬

দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলা প্রাঙ্গণ ও উপজেলা পরিষদ মিলনায়তন যেন পরিণত হয় জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের এক মিলনমেলায়। শিক্ষা, কৃষি,সমাজকল্যাণ,প্রতিবন্ধী সেবা এবং দরিদ্র জনগোষ্ঠীর উন্নয়নকে কেন্দ্র করে একাধিক কর্মসূচির মাধ্যমে সরকারের বিভিন্ন সহায়তা সাধারণ মানুষের হাতে তুলে দেওয়া হয়।অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুর-৬ আসনের সংসদ সদস্য এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সমাজকল্যাণ ও মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী অধ্যাপক ডা.এজেড এম জাহিদ হোসেন। তাঁর উপস্থিতিতে উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষের মধ্যে সরকারি সহায়তা বিতরণ করা হয়,যা সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও ইতিবাচক সাড়া সৃষ্টি করে। দিনব্যাপী কর্মসূচিতে গরিব ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা সহায়তার অর্থের চেক বিতরণ করা হয়। অসহায় ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের চলাচলের সুবিধার্থে হুইলচেয়ার প্রদান করা হয়। উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের লক্ষ্যে খেলাধুলার সামগ্রী বিতরণ করা হয়। একই সঙ্গে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও পরিবেশ সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে কৃষক এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে চারা গাছ বিতরণ করা হয়। এছাড়া প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে উন্নতমানের বীজ ও কীটনাশক বিতরণ করা হয়,যাতে তারা আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহার করে অধিক উৎপাদন নিশ্চিত করতে পারেন। শিশুদের জন্যও বিশেষভাবে হুইল চেয়ার বিতরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়, যা সমাজের পিছিয়ে পড়া শিশুদের প্রতি সরকারের মানবিক দৃষ্টিভঙ্গিরই বহিঃপ্রকাশ। এদিন ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় তুলা ফসলের আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে কৃষি উপকরণ বিতরণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মোঃ রেজাউল আমিন,নির্বাহী পরিচালক,তুলা উন্নয়ন বোর্ড,তুলা ভবন,কৃষি খামার রোড, ফার্মগেট,ঢাকা। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মন্ত্রী অধ্যাপক ডা.এজেড এম জাহিদ হোসেন বলেন,সরকারের উন্নয়নের মূল লক্ষ্য হলো সমাজের প্রতিটি মানুষের কাছে সেবা পৌঁছে দেওয়া। দরিদ্র,মেধাবী শিক্ষার্থী, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি,নারী,শিশু এবং কৃষকদের উন্নয়ন নিশ্চিত না হলে একটি সমৃদ্ধ রাষ্ট্র গঠন সম্ভব নয়। তাই শিক্ষা,কৃষি ও সমাজকল্যাণকে সমন্বিত ভাবে এগিয়ে নিতে সরকার নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি আরও বলেন,কৃষিই বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান ভিত্তি। কৃষকদের উৎপাদন ব্যয় কমানো এবং উৎপাদন বৃদ্ধি নিশ্চিত করতে সরকার বিভিন্ন প্রণোদনা ও কৃষি সহায়তা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের শিক্ষা অব্যাহত রাখতে আর্থিক সহায়তা এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য বিশেষ সেবার পরিধিও ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি করা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা,জনপ্রতিনিধি,শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান,কৃষি বিভাগের কর্মকর্তাসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। বিশেষ বিশ্লেষণ ১৮ জুলাইয়ের এই কর্মসূচির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল একই দিনে শিক্ষা, কৃষি,সমাজকল্যাণ,প্রতিবন্ধী সেবা এবং পরিবেশ সংরক্ষণকে একসঙ্গে গুরুত্ব দিয়ে সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করা। এটি শুধু সহায়তা বিতরণের আনুষ্ঠানিকতা নয়; বরং সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির সমন্বিত উদ্যোগের প্রতিফলন।
বিশেষ করে মাননীয় মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এজেড এম জাহিদ হোসেনের উপস্থিতি ও সরাসরি তত্ত্বাবধানে এসব কর্মসূচি বাস্তবায়িত হওয়ায় উপকারভোগীদের মধ্যে আস্থা ও উৎসাহ বৃদ্ধি পেয়েছে। শিক্ষা সহায়তা থেকে শুরু করে কৃষি উপকরণ,প্রতিবন্ধীদের সহায়তা এবং ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ প্রতিটি উদ্যোগই জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্র পরিচালনার একটি বাস্তব উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। স্থানীয়দের মতে, এ ধরনের বহুমুখী উন্নয়ন কর্মসূচি নিয়মিত বাস্তবায়িত হলে শিক্ষার মানোন্নয়ন,কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, সামাজিক নিরাপত্তা জোরদার এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।