উত্তর ফটিকছড়িতে উপজেলা সদর দপ্তর যৌক্তিক স্থানে স্থাপনের দাবিতে ৪৮ ঘণ্টার হরতাল ঘোষণা
- আপডেট সময় : ০৩:৩৮:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬
- / ২৭ বার দেখা হয়েছে
ফটিকছড়ি (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:
চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে উত্তর উপজেলা সদর দপ্তর জনগণের সুবিধাজনক ও যৌক্তিক স্থানে স্থাপনের দাবিতে টানা ৪৮ ঘণ্টার হরতাল কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। ‘উত্তর ফটিকছড়ি উপজেলা বাস্তবায়ন সমন্বয় পরিষদ’-এর ব্যানারে গত ২২ জুলাই হেয়াকো বাজারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।
আগামী ২৬ জুলাই সকাল ৬টা থেকে শুরু হয়ে ২৭ জুলাই সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত এ টানা ৪৮ ঘণ্টার হরতাল পালিত হবে।
আন্দোলনের পটভূমি ও প্রেক্ষাপট
উত্তর ফটিকছড়ির নারায়ণহাট, দাঁতমারা ও বাগানবাজার—এই তিন ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণের যৌথ উদ্যোগে দীর্ঘদিন ধরে এ আন্দোলন পরিচালিত হয়ে আসছে। এর আগে গত এক মাস ধরে ধারাবাহিকভাবে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল, প্রতিবাদ সমাবেশ, গণসংযোগ ও সংবাদ সম্মেলনসহ বিভিন্ন শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে নেতৃবৃন্দ অভিযোগ করেন, জনমত ও ভৌগোলিক বাস্তবতা উপেক্ষা করে সদর দপ্তর স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হলে তা উত্তর ফটিকছড়ির লাখো মানুষের স্বার্থের পরিপন্থী হবে। প্রশাসনের কাছে একাধিকবার দাবি জানানোর পরও কোনো ইতিবাচক সিদ্ধান্ত না পাওয়ায় তারা কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত নেতৃবৃন্দ
হেয়াকো বাজারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এলাকার বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন:
-
১ নম্বর বাগানবাজার ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি একরামুল হক বাবুল
-
ভুজপুর থানার যুবদলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি নুরুল আমিন আজাদ
-
জসিম মেম্বার
-
জাহাঙ্গীর হায়দার
-
আবুল খায়েরসহ প্রমুখ।
আন্দোলনকারীদের হুঁশিয়ারি ও আহ্বান
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “আমাদের একটাই দাবি—উত্তর ফটিকছড়ি উপজেলা সদর দপ্তর অবশ্যই যৌক্তিক, জনবান্ধব ও সবার জন্য সহজে যোগাযোগযোগ্য স্থানে স্থাপন করতে হবে।” জনগণের মতামত উপেক্ষা করে কোনো সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিলে আন্দোলন আরও কঠোর হবে বলে তারা হুঁশিয়ারি দেন।
ঘোষিত ৪৮ ঘণ্টার হরতাল শান্তিপূর্ণভাবে সফল করার জন্য উত্তর ফটিকছড়ির সর্বস্তরের জনগণের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানানো হয়েছে। আন্দোলনকারীদের আশা, সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জনগণের এই ন্যায্য দাবি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে এলাকার সার্বিক উন্নয়ন ও প্রশাসনিক গতিশীলতা নিশ্চিত করবে। অন্যথায় দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।






















